গর্ভধারণের জন্য সহবাসের নিয়ম।

গর্ভধারণের জন্য সহবাসের নিয়ম।

যদি কেউ আল্লাহর ইচ্ছায় সন্তান নিতে চায় এবং সহবাসের দ্বারা স্ত্রীর গর্ভে সন্তান জন্ম হোক কামনা করে, তাকে নিম্নোক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

গর্ভধারণের জন্য সহবাসের নিয়ম।

বাচ্চা নেওয়ার আগে পুরুষের করনীয়।

❀ সহবাসের পর স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কিছুক্ষণ চুপচাপ বুকের উপর নিজের ওজন স্ত্রীর শরীরে না দিয়ে শুয়ে থাকবে। যেন নিজের বীর্য স্ত্রীর রেহেমের শেষ প্রান্তে পৌঁছে যায় এবং পুরুষাঙ্গে সামান্যতম বীর্যও অবশিষ্ট না থাকে।

এ বিষয়টিও খেয়াল রাখতে হবে যে, স্ত্রীর গুপ্তস্থানে পুরুষাঙ্গ কম্পিত অবস্থায় আছে কিনা? কোনো অবস্থাতেই বাইরে বের করবে না। পুরুষাঙ্গ যখন ঠাণ্ডা ও নিস্তেজ হয়ে যাবে কিছুক্ষণ পর বাইরে বের করে আনবে।

এরপর সাথে সাথেই নরম ও মোলায়েম নেকড়া দ্বারা পেঁচিয়ে রাখবে। কোনো অবস্থাতেই যেন ঠাণ্ডা বাতাস না লাগে। কেননা ঠাণ্ডা বাতাস লাগার দ্বারা পুরুষাঙ্গের শিরা বা রগসমূহ দুর্বল হয়ে যায়।

কিছুক্ষণ পর যখন পুরুষাঙ্গ একেবারে ঠাণ্ডা ও নরম হয়ে যাবে তখন ধীরে ধীরে পেঁচানো নেকড়া দিয়ে তা পরিস্কার করবে।

সহবাসের পর কতক্ষণ শুয়ে থাকতে হয়?

 সহবাসের পর স্ত্রীকে আধা ঘণ্টা সময় চিত হয়ে শুয়ে থাকতে হবে, কোনো নড়াচড়া করা যাবে না। নড়াচড়া করলে বীর্য রেহেমের বাইরে বের হয়ে আসার অধিক সম্ভাবনা রয়েছে।

এজন্য সে তার দুই রান দ্বারা লজ্জাস্থানকে চেপে ধরে এমনভাবে শুয়ে থাকবে যেন, সামান্য বাতাসও ভিতরে যেতে না পারে। এভাবে বীর্য বাচ্চাদানির গভীরে পৌঁছে এবং নিজের স্থান নিয়ে নেয়। এ অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়লে আরো ভালো।

 বাচ্চাদানি এটি একটি উপুড় করা অঙ্গ। সুতরাং সহবাসের পর উঠ বস বা নড়াচড়ায় বীর্য বের হয়ে যায়। এজন্য বাচ্চা কামনা করলে, তাকে আল্লাহর উপর ভরসা করে চুপ চাপ দুই রান চেপে ধরে সোজা হয়ে শুয়ে থাকতে হবে।

নড়াচড়া না করার ফায়েদা হলো, আসলে বাচ্চাদানিতে বীর্য প্রবেশের পরই তার কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। এজন্য মহিলারা সে সময় যেমন শান্ত থাকবে, সন্তানের অবস্থানও তেমন মজবুত ও স্থায়ী হবে।

উৎস-

বই: একান্ত নির্জনে: গোপন আলাপ

লেখক: মুফতী আল্লামা হাকীম আশরাফ আমরহী।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন