ইসলামে সহবাসের নিয়ম ও পদ্ধতি।

ইসলামে সহবাসের নিয়ম ও পদ্ধতি।

ইসলামে সহবাসের নিয়ম ও পদ্ধতি।

ইসলামে সহবাসের নিয়ম ও পদ্ধতি। (সহবাসের আদব)

সহবাসের যতগুলো আদব রয়েছে, তন্মধ্যে একটি হলো, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের লজ্জাস্থান না দেখা। যদিও তা দেখার দ্বারা অনেকের যৌনস্পৃহা বৃদ্ধিপায়। কিন্তু তা দেখার দ্বারা দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়।

অতঃপর স্বামী তার স্বীয় লিঙ্গ অর্থাৎ প্রজনন যন্ত্র স্ত্রীর জরায়ুর মধ্যে প্রবেশ করিয়ে থামিয়ে রাখবে। যেন স্ত্রীর যৌনক্ষুধা চরমে পৌঁছে এবং চোখের মাধ্যমে তা প্রকাশ করে।

ইসলামে সহবাসের নিয়ম ও পদ্ধতি

এরপর স্বামী তার স্বীয় লিঙ্গ তীব্রতার সাথে প্রবেশ করতে তরান্বিত করবে এবং তরঙ্গের মত উঠানামা করাবে। তবে এ ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

কেননা, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, অতি মাত্রার কাঠিন্যাতা, তীব্রতা, প্রচণ্ডতার সাথে লিঙ্গ চলাচলের দ্বারা কোনো কোনো মহিলারা জরায়ুর রোগে আক্রান্ত হয়।

আর এরকম অতিমাত্রায় প্রচণ্ডতার সাথে সহবাস করাও মাকরুহ বা নিষেধ। কিন্তু এভাবে সহবাস করতে স্ত্রী যদি আনন্দবোধ করে এবং স্বামীকে একাজে উৎসাহ দেয় ও এর মাধ্যমে সে তৃপ্তি পায় বলে প্রকাশ করে, তাহলে মাকরুহ নয়।

স্বামীর বীর্যপাতের সময় স্ত্রীও বীর্যপাতের অনুকূল্যের দিকে লক্ষ্য রাখবে। স্বামীর বীর্যপাত আগে হলে, স্ত্রীর বীর্যপাতের জন্য স্বীয় লিঙ্গ যৌনাঙ্গে রেখে নাড়াচাড়া করতে থাকবে।

আর যখন স্ত্রীর জরায়ু শিথিল হয়ে যাবে, তখন বুঝতে হবে যে, স্ত্রীরও বীর্যপাত হয়েছে। সহবাসের উত্তম পদ্ধতি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। 

সেই সাথে অভিজ্ঞ হাকিমগণও সে ব্যাপারে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। আর তা হলো- স্ত্রী নিজের পিঠের কঞ্চন সোজা করে শয়ন করবে এবং স্বামী স্ত্রীর দুই রানের মাঝখানে এসে আপন লিঙ্গ স্বীয় স্ত্রীর জরায়ুতে প্রবেশ করিয়ে সহবাস করবে।

এ পদ্ধতি ছাড়াও আরো অনেক পদ্ধতি রয়েছে। এ বিষয়ে উপমহাদেশের হাকীমগণ ছত্রিশটি পদ্ধতির বর্ণনা দিয়েছেন। যদিও সব ধরণের পদ্ধতিতে স্বাদ উপভোগ করা যায়।

কিন্তু এতে স্বামী স্ত্রী পরস্পরে কোনো না কোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। বেশিরভাগ সময় ঐ ছত্রিশ পদ্ধতির মধ্যে বীর্য স্ত্রীর রেহেমের মধ্যে স্থায়ী হয় না।

বিশেষ করে এ পদ্ধতিতে যখন স্ত্রী উপরে আর স্বামী থাকে নিচে। যদিও এ পদ্ধতিতে বেশি স্বাদ উপভোগ করা যায়।

হাকীম বকরাত, জালিস ও এরিস্টটল একথার উপর একমত যে, মহিলারা দীর্ঘদিন সহবাস থেকে দূরে থাকলে জরায়ূ প্রদাহ রোগে আক্রান্ত হয়। আর এই প্রকার রোগের একামাত্র চিকিৎসা হলো সহবাস করা।

উৎস-

বই: নারী ও পুরুষের একান্ত গোপনীয় কথা বা পুশিদাহ রাজ।

লেখক: মুফতী হাকীম আল্লামা আশরাফ আমরহী।

স্বাস্থ্য

0 Response to "ইসলামে সহবাসের নিয়ম ও পদ্ধতি।"

Post a Comment

393/5000
A Note for Entrepreneurs
  • Please leave a trace in accordance with the title of the article.
  • Not allowed to promote goods or sell.
  • Do not include active links in comments.
  • Comments with active links will be automatically deleted.
  • Comment well, your personality reflects when commenting.

Top Ad Articles

Middle Ad Article 1

Middle Ad Article 2

Advertise Articles